খালেদা জিয়াকে ফিজিওথেরাপি দেওয়া হচ্ছে

মঙ্গলবার (৯ অক্টোবর) বিকেল থেকে জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)’র চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়াকে ফিজিওথেরাপি দেওয়া শুরু হয়েছে। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয় (বিএসএমএমইউ) এর পরিচালক (হাসপাতাল) ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আব্দুল্লাহ আল হারুন একথা জানিয়েছেন।

এর আগে ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আব্দুল্লাহ আল হারুন বিএসএমএমইউতে এক ব্রিফিংয়ে বলেন, উনার (খালেদা জিয়া) যে রোগ (রিউমাটো আর্থ্রাইটিস), এই রোগের জন্য ফিজিওথেরাপি মাস্ট।’

খালেদা জিয়া সুস্থ হবেন কিনা এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি সাংবাদিকদের বলেন, ‘যদি উনাকে উন্নত চিকিৎসা দেওয়া যায়, তাহলে উনি অনেকটাই সুস্থ হয়ে উঠবেন।’ তার রোগ সংক্রান্ত সব ধরনের সক্ষমতা থাকায় বিএসএমএমইউতেই খালেদা জিয়াকে উন্নত চিকিৎসা দেওয়া সম্ভব বলেও জানান তিনি।

বেগম খালেদা জিয়ার রোগ সম্পর্কে তার জন্য গঠিত মেডিক্যাল বোর্ডের প্রধান অধ্যাপক ডা. এম এ জলিল বলেন, ‘৩০ বছর ধরে খালেদা জিয়া এই রোগে ভুগছেন। রোগটির নাম রিউমাটো আর্থ্রাইটিস। এই রোগ কন্ট্রোলে না রাখার কারণে তার বিভিন্ন জটিলতা সৃষ্টি হয়েছে। তার বাম হাত বেঁকে গেছে, বাম কাঁধ নাড়াতে পারেন না, হাত ঝিম ঝিম করে। তার ঘাড়ে ও কোমরে ব্যথা আছে। তার বাম হিপজয়েন্টে আর্থ্রাইটিস আছে। তার দুই হাঁটু আগে থেকে রিপ্লেস করা, সেখানে কিছুদিন আগে ফুলে গিয়েছিল। ওষুধ দিয়ে তা ঠিক করা হয়েছে।’

খালেদার জিয়ার অসুখের ব্যাপারে বাংলায় ব্যাখ্যা করে বলতে বলা হলে ড. জলিল বলেন, ‘এটি এক ধরনের গেটে বাত, যার কারণে গিঁটে গিঁটে ব্যথা হয়। এর চিকিৎসা না হলে ঘাড়ে-মাজা-কোমরে ব্যথা হয়।’

প্রসঙ্গত, জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় পাঁচ বছরের কারাদণ্ডপ্রাপ্ত বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে আদালতের নির্দেশে শনিবার (৬ অক্টোবর) বিকালে নাজিমুদ্দিন রোডের পুরাতন কারাগার থেকে এনে বিএসএমএমইউ’তে ভর্তি করা হয়। বর্তমানে তিনি সেখানে ৬১২ নম্বর কেবিনে চিকিৎসাধীন আছেন।

Related posts

Leave a Comment